আমরা বিশ্বাস করি প্রতিটি বাংলাদেশি খেলোয়াড় বিশ্বমানের গেমিং অভিজ্ঞতা পাওয়ার যোগ্য। সেই বিশ্বাস থেকেই জন্ম নিয়েছে class10 — নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং সম্পূর্ণ বাংলাদেশি মানুষের কথা ভেবে তৈরি।
class10 এর প্রতিটি সিদ্ধান্তের পেছনে আছে তিনটি মূল ভিত্তি — লক্ষ্য, দৃষ্টিভঙ্গি এবং প্রতিশ্রুতি।
বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের মানুষকে একটি নিরাপদ, স্বচ্ছ এবং উপভোগ্য অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা দেওয়া। class10 চায় প্রতিটি খেলোয়াড় যেন নিজেকে মূল্যবান এবং সুরক্ষিত মনে করেন।
দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বিশ্বস্ত ও প্রযুক্তিনির্ভর অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম হওয়া। আমরা বিশ্বাস করি সঠিক প্রযুক্তি ও সৎ পরিষেবা দিয়ে গেমিং শিল্পকে একটি নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব।
স্বচ্ছতা, দ্রুত পেমেন্ট এবং সর্বোচ্চ নিরাপত্তা। class10 প্রতিশ্রুতি দেয় যে কোনো পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়ের স্বার্থ সর্বদা প্রথমে থাকবে। জয়ের টাকা সময়মতো পাবেন — কোনো অজুহাত নেই।
২০২০ সালের শেষ দিকের কথা। একদল তরুণ প্রযুক্তিপ্রেমী মিলে ভাবছিলেন — বাংলাদেশের মানুষ কি সত্যিই একটা ভালো অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্ম পাওয়ার যোগ্য না? বিদেশি প্ল্যাটফর্মগুলো ছিল, কিন্তু সেখানে বাংলা ভাষা নেই, Mobile Pay বা Nagad সাপোর্ট নেই, কাস্টমার সাপোর্ট বাংলায় কথা বলে না। সমস্যাটা স্পষ্ট ছিল, সমাধানটাও।
সেই উপলব্ধি থেকেই জন্ম নেয় class10। শুরুটা ছিল ছোট — মাত্র কয়েকটি খেলা আর কয়েক হাজার সদস্য নিয়ে। কিন্তু মানুষের বিশ্বাস অর্জন করতে বেশি সময় লাগেনি। কারণ class10 সবসময় যা বলেছে তাই করেছে — জয়ের টাকা সময়মতো দিয়েছে, সমস্যায় পাশে দাঁড়িয়েছে এবং প্ল্যাটফর্মকে প্রতিদিন একটু একটু ভালো করেছে।
class10 এর বিশেষত্ব হলো এটি বাংলাদেশের মাটিতে বসে তৈরি। আমাদের টিমের বেশিরভাগ সদস্যই এই দেশের মানুষ — তারা জানেন এখানকার মানুষ কী চায়, কীভাবে কথা বলে, কোন খেলায় মজা পায়। সেই স্থানীয় বোঝাপড়াই class10 কে আলাদা করে তোলে।
পেমেন্টের কথাই ধরুন। বিদেশি প্ল্যাটফর্মগুলো ক্রেডিট কার্ড ছাড়া টাকা নিতে চায় না। কিন্তু বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষের ক্রেডিট কার্ড নেই — তাদের আছে Mobile Pay, Nagad, রকেট। class10 সেই বাস্তবতাকে সম্মান জানিয়ে শুরু থেকেই মোবাইল ব্যাংকিং সাপোর্ট যুক্ত করেছে।
class10 শুধু একটা ওয়েবসাইট না — এটা একটা প্রযুক্তি পণ্য যা প্রতিদিন উন্নত হচ্ছে। আমাদের ইঞ্জিনিয়ারিং টিম প্রতিনিয়ত কাজ করছে যাতে সাইট দ্রুত লোড হয়, পেমেন্ট নিরাপদ থাকে এবং গেমের ফলাফল সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ হয়। আমরা সার্টিফাইড র্যান্ডম নম্বর জেনারেটর (RNG) প্রযুক্তি ব্যবহার করি — যা আন্তর্জাতিক তৃতীয় পক্ষ কর্তৃক নিয়মিত অডিট করা হয়।
SSL এনক্রিপশন, টু-ফ্যাক্টর অথেন্টিকেশন এবং রিয়েল-টাইম ফ্রড ডিটেকশন সিস্টেম — এই তিনটি প্রযুক্তি একসাথে কাজ করে class10 কে বাংলাদেশের সবচেয়ে নিরাপদ অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মগুলোর একটিতে পরিণত করেছে।
class10 বিশ্বাস করে গেমিং আনন্দের জন্য, আসক্তির জন্য নয়। তাই আমরা শুরু থেকেই দায়িত্বশীল গেমিংয়ের সরঞ্জামগুলো যুক্ত করেছি — ডিপোজিট লিমিট, সেশন টাইমার, সেলফ-এক্সক্লুশন। যদি কেউ মনে করেন গেমিং তার জীবনে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, class10 তাকে সাহায্য করতে সদা প্রস্তুত।
আমাদের দায়িত্বশীল খেলা পেজে এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাবেন। class10 শুধু ব্যবসা করতে আসেনি — আমরা একটা সুস্থ ও উপভোগ্য গেমিং সংস্কৃতি গড়তে চাই।
আজ class10 এ পাঁচ লাখেরও বেশি নিবন্ধিত সদস্য আছেন। প্রতি মাসে হাজারো নতুন মানুষ যোগ দিচ্ছেন। এই বৃদ্ধি কোনো বিজ্ঞাপনের কারণে নয় — এটা মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া বিশ্বাসের ফল। যখন একজন সদস্য তার বন্ধুকে বলেন "class10 এ যাও, টাকা সময়মতো পাবে" — সেটাই আমাদের সবচেয়ে বড় পুরস্কার।
class10 কে অন্য প্ল্যাটফর্ম থেকে আলাদা করে তোলে যে বিষয়গুলো
class10 এর প্রতিটি কাজের পেছনে আছে কিছু অটল মূল্যবোধ যা আমরা কখনো আপোষ করি না।
প্রতিটি গেমের নিয়ম, পেমেন্ট প্রক্রিয়া এবং বোনাসের শর্ত পরিষ্কারভাবে জানানো হয়। কোনো লুকানো চার্জ বা অস্পষ্ট শর্ত নেই।
খেলোয়াড়ের ব্যক্তিগত তথ্য ও অর্থের সুরক্ষা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। আমরা কখনো তথ্য তৃতীয় পক্ষের সাথে ভাগ করি না।
গেমিং যেন কখনো সমস্যা না হয়ে বিনোদন থাকে তা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। দায়িত্বশীল খেলার সব সরঞ্জাম সবসময় পাওয়া যায়।
প্রযুক্তি এবং গেমিং অভিজ্ঞতাকে প্রতিদিন উন্নত করা আমাদের অভ্যাস। আমরা থামি না — কারণ আমাদের খেলোয়াড়রা সেরাটাই প্রাপ্য।
class10 শুধু একটা প্ল্যাটফর্ম না — এটা একটা সম্প্রদায়। আমরা চাই প্রতিটি সদস্য এখানে পরিবারের মতো অনুভব করুক।
গড় মানের সাথে আমাদের সম্পর্ক নেই। প্রতিটি ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মান বজায় রাখা class10 এর প্রতিদিনের লক্ষ্য।
একটি ছোট উদ্যোগ থেকে বাংলাদেশের শীর্ষ গেমিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত হওয়ার গল্প
একটি ছোট দলের বড় স্বপ্ন থেকে class10 এর যাত্রা শুরু। প্রথম সংস্করণে ছিল মাত্র ১০টি গেম এবং কয়েকশো প্রথম সদস্য। Mobile Pay সাপোর্ট যুক্ত হয় — যা তখন অনলাইন গেমিংয়ে বিপ্লব এনেছিল।
সদস্য সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়ে যায়। স্পোর্টস বেটিং ও লটারি বিভাগ চালু হয়। Nagad পেমেন্ট সাপোর্ট যুক্ত হয়। ২৪/৭ বাংল া কাস্টমার সাপোর্ট চালু করা হয়।
সার্টিফাইড RNG প্রযুক্তি চালু হয়। মোবাইল-ফার্স্ট ডিজাইন নতুনভাবে তৈরি করা হয়। ক্রিকেট লটারি বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পায়। সদস্য সংখ্যা ২ লাখ ছাড়িয়ে যায়।
নিয়মিত খেলোয়াড়দের জন্য বিশেষ লয়ালটি রিওয়ার্ড প্রোগ্রাম চালু হয়। গেম লাইব্রেরি ২০০ ছাড়িয়ে যায়। দায়িত্বশীল গেমিং টুলস আরো উন্নত করা হয়।
class10 বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মগুলোর একটিতে পরিণত হয়। মাসিক পেআউট ১ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যায়। নতুন স্পোর্টস ইভেন্ট বিভাগ চালু হয়।
৫ লাখেরও বেশি সদস্যের সাথে যোগ দিন এবং বাংলাদেশের সেরা অনলাইন গেমিং অভিজ্ঞতা উপভোগ করুন।